২৫ জুন ফোন আসে গুলশান থেকে। একজন নারী ফোন করেছেন সাহায্য চেয়ে। মরদেহ দাফন করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবী দল পাঠানো হয়। দলটি গিয়ে দেখে, মরদেহ থেকে গন্ধ ছড়াচ্ছে। উদ্ধারে সহায়তা নেওয়া হয় স্থানীয় পুলিশের। এমনই এক অভিজ্ঞতার কথা প্রথম আলোকে জানান সালেহ আহমেদ। তিনি কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের হয়ে মরদেহ দাফন ও সৎকারের কাজটি সমন্বয় করছেন। তিনি জানান, তিন দিন ধরে চেষ্টা করেও কোনো সাহায্য পাননি বয়স্কা... বিস্তারিত
source http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1666802/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A7%A9-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%A8%E2%80%93%E0%A6%B8%E0%A7%8E%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0
No comments:
Post a Comment