Sunday, April 27, 2025
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম
রামপুরা সেতু
আগেকার দিনের ঢাকার বাসাবো ক্রিকেট এর কাছে রেল গেটের কাছে সিট দখলের প্রতিযোগিতা
Monday, April 21, 2025
শান্তিবাগ
ও আমার আল্লাহ ! চিরচেনা যায়গাটা , পুকুরের উপরে ছিল টিন কাঠের দুতলা স্কুল ( শান্তি বাগ কো-অপরেটিভ হাই স্কুল পরে এরশাদ হাই স্কুল আবার পরে শান্তিবাগ হাই স্কুল ) । ৭০ সালে মাত্র বেবি ক্লাসে পড়েছিলাম , ১ম হয়েছিলাম । এখানে পিছন দিকে ছিল অভিনেতা মরহুম রাজু আহমদের বাড়ি । রাস্তা সামনে পশ্চিম দিক - পিছনে পুর্ব দিক । ডানদিকে ঝিল - পরে পুকুর - পরে ডোবা , মাথায় শহীদ বাগ - দক্ষিন দিক । যাহোক , ১৯৭৭-১৯৮০ সালে সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতি দিন যেতাম এই রাস্তা দিয়ে ! ছবি - ১ম ডিসেম্বর ১৯৮০ সাল । সংবাদ ।
Thursday, November 14, 2024
রাজমনি সিনেমা হল
রাজমনি সিনেমা হল:
বাংলাদেশের একটি অধুনালুপ্ত চলচ্চিত্র প্রেক্ষাগৃহ ------
রাজমনি - সিনেমা হল নামে পরিচিত,ঢাকার অন্যতম প্রেক্ষাগৃহটি কাকরাইলে ভি.আই.পি সড়কের পাশে অবস্থিত। মুক্তিযোদ্ধা আহসানুল্লাহ মনি ১৯৮২ সালে কাকরাইলে চব্বিশ কাঠা জমির উপর রাজমনি প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ করেছিলেন। একই মালিকানায় "রাজমনির" পাশে "রাজিয়া" নামে আরেকটি প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ করা হয়েছিল। চারশত আসনের "রাজিয়া" প্রেক্ষাগৃহটি "রাজমনি" অপেক্ষা আয়তনে ছোট ছিল। প্রেক্ষাগৃহ ছাড়াও এই ভবনে সঙ্গীত ও শব্দ ধারণ স্টুডিও,চিত্র ধারণের স্থান,ডাবিং স্টুডিও,সম্পাদনা প্যানেল ছিল। চলচ্চিত্র ব্যবসায় মন্দা ও ক্রমাগত লোকসানের কারণে প্রেক্ষাগৃহটি অক্টোবর ২০১৯ - এ বন্ধ করে বাণিজ্যিক ভবনে রূপান্তরের পরিকল্পনা করা হয়।
৩ মার্চ ১৯৮৩ সালে এক হাজার একশত পঞ্চাশ আসনের এই প্রেক্ষাগৃহ চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর জন্য উদ্বোধন করা হয়। কামাল আহমেদ পরিচালিত "লালু ভুলু" ছায়াছবি এই প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত প্রথম চলচ্চিত্র। ১৯৮৪ সালে এই প্রেক্ষাগৃহের ভবনে চল্লিশটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় ছিল। ফলে এই প্রেক্ষাগৃহকে ঘিরে আশির দশকে কাকরাইল এলাকাটি "ফিল্মপাড়া" নামে পরিচিতি পায়। নব্বই দশকে এই প্রেক্ষাগৃহটি সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করেছে। উদ্বোধনের ছত্রিশ বছর পর ১১ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে রাজমনি ও রাজিয়া প্রেক্ষাগৃহ দুইটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বন্ধ হওয়ার আগে এই প্রেক্ষাগৃহে "নোলক" ছায়াছবি প্রদর্শিত হয়।
সে সময় রাজমনি সিনেমা হলের মালিক এর পক্ষে থেকে বলা হয়েছিল প্রেক্ষাগৃহ ভেঙে এই স্থানে "রাজমনি টাওয়ার" নামে একটি উনিশ হতে বাইশ তলা বহুমুখী বাণিজ্যিক ভবন গড়ে তোলা হবে এবং সেই বাণিজ্যিক ভবনে ভূগর্ভে গাড়ির রাখার ব্যবস্থা,চারতলা পর্যন্ত বিপণিবিতান এবং অবশিষ্ট তলাসমূহে বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ভাড়া দেওয়ার মত স্থাপনা তৈরি করা হবে। নতুন করে আধুনিক প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের পরিকল্পনা রাখা হয়নি।
বাংলাদেশের "ফিল্মপাড়া" বলতে এখনো কাকরাইল এলাকাকে বোঝায়। বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র যাঁরা বানান বা ছবির ব্যবসার সঙ্গে যাঁরা জড়িত,তাঁদের সবার গন্তব্য কাকরাইল। এখানে এই প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে ওঠার পেছনে ছিল প্রেক্ষাগৃহ - রাজমণি।
স্বাধীনতার আগে ঢাকাই ছবির ব্যবসা মূলত ছিল ইসলামপুর,ওয়াইজঘাট ও নবাবপুরকে ঘিরে। একসময় ছবি ব্যবসার যাবতীয় কার্যক্রম চলে আসে গুলিস্তানে। আশির দশকের আগেও ঢাকার "ফিল্মপাড়া" ছিল গুলিস্তান কেন্দ্রিক এর পর তা কাকরাইলে সরে আসে।
বাংলাদেশে সিনেমা ব্যবসায় ধস নামার কারণে ঢাকার অধিকাংশ সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেছে। হাতে গোনা কয়েকটি হল টিকে থাকলেও তা আগামীতে বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অনেক স্থানে ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল গুলো ভেঙ্গে ফেলার চিন্তা করছেন মালিকরা।।
কার্টেসি – BFI
Sunday, November 3, 2024
নীলক্ষেতের রেললাইন এবং ট্রেন- ১ অক্টোবর ১৯৬৪😊
রেললাইনটি শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের সীমানা ঘেষে ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত যেতো। কিন্তু ১৯৬৮ সালে কমলাপুর ষ্টেশন চালু হবার পর ফুলবাড়িয়া ষ্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ১৯৭১ সালে রেল লাইনও তুলে ফেলা হয়। বলা হয়ে থাকে তখনকার এসএম হল আর জহু হলের ছাত্রদের ট্রেনের হুইসেলে ঘুম ভাংতো।
ছবি ক্রেডিটঃ দুলক আহমেদ
ঐতিহ্যবাহী বিউটি বোর্ডিং
ঐতিহ্যবাহী বিউটি বোর্ডিং
পুরান ঢাকার বাংলা বাজার ১নং শ্রীশদাস লেনে অবস্থিত একটি দোতলা পুরাতন বাড়ি যার সাথে বাঙালির শিল্প-সংস্কৃতির ইতিহাস জড়িত এবং বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির গুণী মানুষদের আড্ডার একটি কেন্দ্রস্থল, বুড়িগঙ্গা নদী থেকে বাংলাবাজার, হাজির বিরিয়ানি থেকে চকবাজার- পুরান ঢাকা মানে বাঙালির শত শত বছরের এক কালীক-আখ্যান। পুরান ঢাকার বিউটি বোর্ডিং সেই আখ্যানেরই এক অজর, অক্ষয় কীর্তির নাম। যে বোর্ডিংয়ের আড্ডাগুলো পঞ্চাশ, ষাট, সত্তর, আশির দশকে আমাদেরকে শিল্পের নিগুঢ় চেতনায় সমৃদ্ধ করে গেছে। যেখানে রচিত হয়েছে অজস্র কালজয়ী কবিতা, উপন্যাস, গল্প, চলচ্চিত্র কিংবা অন্যান্য শিল্পকর্ম। কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, অভিনেতা, সাংবাদিক, রাজনীতিক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব আর জাদুশিল্পীদের পদচারণায় মুখরিত থাকত সবসময় জায়গাটি।
সাতচল্লিশের দেশভাগের পূর্বে ঢাকার নিঃসন্তান এক জমিদার সুধীর চন্দ্র দাসের জমিদারবাড়ির ভবনে সুনীল কুমার মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বের হতো 'সোনার বাংলা' নামের সাপ্তাহিক পত্রিকা, সাথে গড়ে ওঠেছিল সেটার ছাপাখানাও। মূলত তখন থেকেই ঐ ভবনটি হয়ে ওঠে শিল্প-সাহিত্যের মানুষদের আনাগোনায় মুখর। কবি শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতাটিও ছাপা হয় সেই পত্রিকায়। দেশভাগের পর 'সোনার বাংলা' কার্যালয় স্থানান্তর হয় কলকাতায়, জমিদার সুধীর চন্দ্র দাসও চলে যান ভারতে। দুই বছর খালি পড়ে থাকে ভবনটি। ১৯৪৯ সালে সেটি ভাড়া নেন মুন্সিগঞ্জের দুই সহোদর নলিনী মোহন সাহা ও প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহা।
নলিনী মোহন সাহার বড় মেয়ের নাম ছিল বিউটি। তার নামেই তারা গড়ে তোলেন বিউটি বোর্ডিং, শুরুতে ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করেন, একসময় চাহিদা বাড়তে থাকলে বড় করার চিন্তা থেকে জমিসহ ভবনটি কিনে নেন দুই ভাই। ক্রমেই ব্যবসা হয়ে ওঠে জমজমাট। সেই সাথে আবারও শুরু হয় সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতের মানুষের বিচরণ।
দেশভাগের পর পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের কেন্দ্র হয়ে ওঠে বাংলাবাজার। সে সূত্রে কবি-সাহিত্যিকদেরও প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়। বাংলাবাজারের পাশেই শ্রীশ দাস লেনের ১ নাম্বার বাড়িটিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে সাহিত্যচক্রের সুনিপুণ এক ঠিকানা।
দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে এই ঐতিহাসিক স্থানে 'সোনার বাংলা' কার্যালয়ে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও পল্লীকবি জসীমউদদীন।
এখান থেকেই ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয় কবিতাপত্র ‘কবিকণ্ঠ’, আহমদ ছফার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘স্বদেশ’। আরো বেশ কয়েকটি সাহিত্য সাময়িকীও নানা সময়ে প্রকাশিত হয়েছে।
এখানে বসেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলে খ্যাতিমান পরিচালক আব্দুল জব্বার খান। বলা হয়, চিত্রনাট্যের কিছু অংশও এখানে বসে লিখেছিলেন তিনি। সুরকার সমর দাস অনেক বিখ্যাত গানের কথায় সুর বসিয়েছেন এখানেই আড্ডা দেওয়ার ফাঁকেই।
একাত্তরের পঁচিশে মার্চ রাতে বাংলার বুকে এক পাশবিক গণহত্যা শুরু করে পাকিস্তানি হানাদারেরা। তিনদিনের মাথায় ২৮ মার্চ অভিযান চালায় বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক আঁতুড়ঘর বিউটি বোর্ডিংয়েও। ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ১৭ জনকে।
নিহতদের মধ্যে বোর্ডিংয়ের ম্যানেজার ও অন্যান্য কর্মীর পাশাপাশি ছিলেন মালিক প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহা স্বয়ং। প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহার পরিবার চলে যান ভারতে। রাজাকারদের দখলে থাকায় যুদ্ধের সময় খালিই পড়ে থাকে বোর্ডিংটি।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে প্রহ্লাদ চন্দ্র সাহার স্ত্রী প্রতিভা সাহা দুই পুত্র সমর সাহা ও তারক সাহাকে নিয়ে দেশে ফিরে আসেন, আবারও শুরু করেন বোর্ডিং ব্যবসা।
স্বাধীনতার পর থেকে হাল ধরে আসা প্রহ্লাদ সাহার ছেলে তারক সাহা প্রয়াত হলে তার উত্তরসূরী সমর সাহা ও বিজয় সাহা বোর্ডিংটি দেখাশোনা করেন।
কৃতজ্ঞতা @M Kaiser Hussain
Friday, November 1, 2024
ঢাকার পুরাতন বন্ধ করে দেওয়া প্রথম কেন্দ্রীয় কারাগার, নাজিমউদ্দীন রোড।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, নাজিমউদ্দীন রোড।
পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ছিল ঢাকায় অবস্থতি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কারাগার। এটি পুরনো ঢাকার নাজিমউদ্দীন রোডে অবস্থিত। ঢাকা বিভাগের এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের এখানে দন্ডপ্রদানের জন্য আটক রাখা হত। এছাড়াও ঢাকা শহরের বিভিন্ন থানার মামলায় বিচারাধীন লোকদিগকে, বিচারকালীন সময়ে আটক রাখার স্থান হিসেবেও কারাগারটি ব্যবহৃত হত। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বার এই কারাগারে আটক জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়।
২০১৬ সালের ২৯ জুলাই এ কারাগারটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
কার্টেসি – ওল্ড ঢাকা বয়েজ
Tuesday, July 30, 2024
পুরাতন ঢাকায় আর্মেনিয়ান চার্চ
Wednesday, April 24, 2024
ঢাকার ইতিহাসের দুইটি দুর্লভ চিত্রকর্ম যা ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে জোহান জোফানী ঢাকায় বসে আঁকেন
Wednesday, August 4, 2021
Map of DACCA from TAYLOR(1840)
১৯৪৪ সালে ব্রিটানিয়া টকিজ, পল্টন, ঢাকা।
এই ছবিটি পুরাতন ঢাকার কোন জায়গায়, লালবাগ না নবাববাড়ির কাছে কোথাও
Tuesday, August 3, 2021
Friday, July 30, 2021
ফরাশগঞ্জ মহল্লার বি.কে. দাস রোডে ফরাসি ‘রোকোকো’ স্টাইলে নির্মিত একটি বাড়ি। বাড়িটি ‘বড়বাড়ি’ নামে পরিচিত।
Beauty Boarding
Wednesday, November 27, 2019
Dhaka
আড়ুশাহ ও মাড়ুশাহ (রহমাতুল্লাহ) এর মাজার - ওয়ার্ড নং ২১
গতকাল, ফুলার রোড ধরে ব্রিটিশ কাউন্সিল পেরিয়ে যখন জগন্নাথ হলের দিকে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ আমার মনে হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক কোয়ার্টারের ভেত...






















