ভেড়ার গা থেকে লোম কেটে সেই লোমে চরকায় সুতা কাটেন। এরপর সেই সুতা দিয়ে হস্তচালিত তাঁতে বোনেন কম্বল। ভেড়ার লোমের তৈরি কম্বল বেচেন ফেরি করে। কখনো পাঠান অভিজাত বিপণিবিতানে, যায় দেশের বাইরেও। এখন বয়স হয়েছে। আর পেরে উঠছেন না। কাজটা কাউকে শিখিয়ে রেখে যেতে চান। খুব করে চান, কেউ তাঁর কাজটা শিখে রাখুক। শিল্পটা বাঁচুক। কারণ, তাঁর জানামতে, দেশে আর কেউ ভেড়ার লোমের কম্বল তৈরি করে না। শেষ পর্যন্ত ঢাকার... বিস্তারিত
source http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1641077/%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%8B
No comments:
Post a Comment