Saturday, November 23, 2019

ছয় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

নাটোরের গুরুদাসপুরে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রির অভিযোগে আজ শনিবার ছয় ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান ওই আদালত পরিচালনা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় ব্যবসায়ী হলেন উজ্জ্বল শেখ, মো. আব্দুর রাজ্জাক, শামীম শেখ, মো. এনামুল হক, মো. টুটুল হোসেন ও মো. মোতালেব হোসেন। কয়েকজন পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার চাঁচকৈড়... বিস্তারিত



source http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1625881/%E0%A6%9B%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE

উৎসবমুখর নৌকাবাইচ

নৌকাবাইচ গ্রামবাংলার জনপ্রিয় একটি নৌ প্রতিযোগিতা। তাই প্রতিযোগিতা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। খুলনার আটরার গিলাতলা ভৈরব নদে অনুষ্ঠিত নৌকাবাইচের ছবিগুলো ক্যামেরাবন্দী করেছেন সাদ্দাম হোসেন। বিস্তারিত



source http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1625880/%E0%A6%89%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A7%8C%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9A

‘দেশি সফটওয়্যারে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাওয়া গর্বের’

দেশের উদ্যোক্তাদের তৈরি বিভিন্ন সফটওয়্যার ও প্রকল্প বিশ্বের অন্যান্য দেশের উদ্যোগের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে স্বীকৃতি পাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাতে ভিয়েতনামের হা লং বে শহরের ডায়মন্ড প্যালেসে এশিয়ার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের অস্কারখ্যাত এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যাওয়ার্ডে (অ্যাপিকটা) ৩টি চ্যাম্পিয়ন ও ৫টি মেরিট পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশের ৫টি উদ্যোগ। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার... বিস্তারিত



source http://www.prothomalo.com/technology/article/1625879/%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE

সৌদি থেকে ফিরলেন আরও ১২৫ বাংলাদেশি

সৌদি আরব থেকে আরও ১২৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইনসের এসভি ৮০৪ বিমানযোগে দেশে ফেরেন কর্মীরা। এ নিয়ে নভেম্বর মাসের তিন সপ্তাহে মোট ২ হাজার ৬১৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।  বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১০ মাসে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ২১ হাজার বাংলাদেশি। নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজারে আফজাল (২৬) মাত্র আড়াই মাস... বিস্তারিত



source http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1625878/%E0%A6%B8%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A6%BF-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A7%A7%E0%A7%A8%E0%A7%AB-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF

Thursday, November 7, 2019

Shat Mosjid Road 1965-1966 (১৯৬৫-৬৬ সালের দিকে সাত মসজিদ রোড)



Dhanmondi Road no 2, 1960s


ধানমন্ডি রোড নম্বর -২, যেটা সাইন্স ল্যাব হতে বিজিবি গেট পর্যন্ত গেছে। ষাটের দশকের প্রথম দিকের

Wednesday, November 6, 2019

Seven Dome Mosque or Saht Gumbuz Mosque










The seven-domed mosque, Dhaka is an example of the architecture of the seven-domed mosque that was established during the Mughal rule in the sixteenth century. It is believed that Nawab Shaista Khan built the mosque in 7 AD. Another information suggests that Buzurg Uddin (Umid) Khan, the eldest son of Nawab Shaista Khan, is the founder of the mosque. Currently, the mosque is under the supervision of the Department of Archeology. Description of the mosque: (সাত গম্বুজ মসজিদ,ঢাকা  ষোড়শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত মোগল শাসনের ধারাবাহিকতায় যে স্থাপত্যরীতি প্রচলিত রয়েছে তারই উদাহরণ ‘সাত গম্বুজ মসজিদ’টি। ধারণা করা যায়, ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। অন্য এক তথ্যে জানা যায়, নবাব শায়েস্তা খাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ) খাঁ এই মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে, মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্বাবধানে আছে। মসজিদের বিবরণঃ এর ছাদে রয়েছে তিনটি বড় গম্বুজ এবং চার কোণের প্রতি কোনায় একটি করে অনু গম্বুজ থাকায় একে সাত গম্বুজ মসজিদ বলা হয়। এর আয়তাকার নামাজকোঠার বাইরের দিকের পরিমাণ দৈর্ঘ্যে ১৭.৬৮ এবং প্রস্থে ৮.২৩ মিটার। এর পূর্বদিকের গায়ে ভাঁজবিশিষ্ট তিনটি খিলান এটিকে বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে। পশ্চিম দেয়ালে তিনটি মিহরাব রয়েছে। দূর থেকে শুভ্র মসজিদটি অত্যন্ত সুন্দর দেখায়। মসজিদের ভিতরে ৪টি কাতারে প্রায় ৯০ জনের নামাজ পড়ার মত স্থান রয়েছে। মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশে হয়ে রয়েছে একটি সমাধি। কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি। সমাধিটি ‘বিবির মাজার’ বলেও খ্যাত। এ কবর কোঠাটি ভেতর থেকে অষ্টকোনাকৃতি এবং বাইরের দিকে চতুষ্কোনাকৃতির। বেশ কিছুদিন আগে সমাধিক্ষেত্রটি পরিত্যক্ত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত ছিল। বর্তমানে এটি সংস্কার করা হয়েছে। মসজিদের সামনে একটি বড় উদ্যানও রয়েছে। একসময় মসজিদের পাশ দিয়ে বয়ে যেত বুড়িগঙ্গা। মসজিদের ঘাটেই ভেড়ানো হতো লঞ্চ ও নৌকা। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় তা কল্পনা করাও কষ্টকর। বড় দালানকোঠায় ভরে উঠেছে মসজিদের চারপাশ। অবস্থান: ঢাকা শহরের মোহাম্মদপুর এলাকার সাত মসজিদ রোডে এই ঐতিহাসিক ‘সাত গম্বুজ মসজিদ’টি অবস্থিত।)

আড়ুশাহ ও মাড়ুশাহ (রহমাতুল্লাহ) এর মাজার - ওয়ার্ড নং ২১

গতকাল, ফুলার রোড ধরে ব্রিটিশ কাউন্সিল পেরিয়ে যখন জগন্নাথ হলের দিকে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ আমার মনে হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক কোয়ার্টারের ভেত...